১৯৪৭-পরবর্তী উদ্বাস্তু সমস্যা: দেশভাগের এক করুণ ইতিহাস
🔴 Subscribe my YouTube Channelবাস্তুহারা হওয়ার সেই বিভীষিকাময় দিনগুলি
পায়ে হেঁটে, নদীপথে, গোরুর গাড়িতে বা ট্রেনে দেশত্যাগ করার সময় পথেই মারা যায় কয়েক লক্ষ মানুষ। হাজার হাজার পরিবার ভেঙে যায়। গ্রামের পর গ্রাম জনশূন্য হয়ে পড়ে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রায় ১ লক্ষ নারী ধর্ষিতা হন এবং এর ফলে অন্তত ৫০ হাজার অবৈধ শিশু জন্মগ্রহণ করে।
পূর্ব পাকিস্তানের অর্থাৎ পূর্ববঙ্গের (বর্তমান বাংলাদেশ) বিপুল সংখ্যক সংখ্যালঘু হিন্দু ও বৌদ্ধ নিজেদের জীবন ও ধর্মরক্ষার তাগিদে এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম সম্প্রদায়ের সাম্প্রদায়িক নির্যাতনের শিকার হয়ে পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা প্রভৃতি রাজ্যে আশ্রয় নেয়। একইভাবে পশ্চিম পাকিস্তানের বিপুল সংখ্যক সংখ্যালঘু শিখ ও হিন্দু ভারতের পূর্ব পাঞ্জাব ও অন্যান্য নিকটবর্তী রাজ্যে আশ্রয় নেয়।
ভারত সরকারের চ্যালেঞ্জ ও উদ্বাস্তুর ঢেউ
ভারত থেকে কিছু মুসলিম পাকিস্তানে চলে গেলেও তা ছিল ভারতে আগত উদ্বাস্তু জনসংখ্যার তুলনায় তুচ্ছ। ভারতে উদ্বাস্তু আগমনের ঢেউ সবচেয়ে বেশি আছড়ে পড়ে পশ্চিমবঙ্গ ও পূর্ব পাঞ্জাবে। সদ্য স্বাধীন ভারতের পক্ষে এই বিপুল সংখ্যক উদ্বাস্তুর আর্থিক দায়ভার বহন করা খুবই কঠিন সমস্যা হিসেবে দেখা দেয়। এই মানবিক বিপর্যয় স্বাধীন ভারতের ইতিহাসের এক অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ ছিল।
No comments:
Post a Comment